কুমিল্লা জিলা স্কুলে পড়াকালীন সময়ে আমাদের



 কুমিল্লা জিলা স্কুলে পড়াকালীন সময়ে আমাদের তিন দিকপাল শিক্ষক ছিলেন শ্রদ্ধেয় হাবীবউল্লাহ স্যার ( ইংরেজী), হেদায়েতুল ইসলাম স্যার( বাংলা ), মোশাররফ হোসন স্যার (ম্যাথ এন ফিজিক্স)। অনেক কৃতজ্ঞতা স্যারদের প্রতি। তিনজনই আল্লাহ’র প্রিয় হয়ে গেছেন করোনা কালীন সময়ে। যাবো যবো করে আর স্যারদের সাথে দেখা করতে পারিনি। আমি আসলে উনাদের ছাত্রই হতে পারিনি। স্যারদের জীবদ্দশায় নিশ্চয়ই তাদের সবচেয়ে Worst ছাত্রের গায়কীর সাফল্যে আনন্দিত ছিলেন। ফালতু ব্যস্ততার অজুহাতে স্যারদের সালাম করার মত সময় বের করতে পারিনি। নিজেকে নিজেই ধিক্কার জানাই।

স্যারদের জীবিত অবস্থায় যাওয়া উচিত ছিল, এখন আফসোস করাটাই সবচেয়ে বড় শাস্তি আমার। আওয়ার লেডী অব ফাতিমা গার্লস স্কুলের রি-ইউনিয়নের সুবাদে সেই শিক্ষাজীবনের শুরুর শিক্ষয়িত্রী মহোদয়াদের সাক্ষাৎ পেলাম। আওয়ার লেডী স্কুল মানেই ডিসিপ্লিন। কঠিনতর শাস্তি পাওয়া এক দুষ্ট ছাত্র ছিলাম আমি। প্রতিদিনই কোন না কোন অপরাধে স্কুলের মাঠে নি- ডাউন করে থাকতে হতো। ভোরে চুরি করা ফুল উপহার দিয়েও মিস’দের মন গলাতে পারিনি, কারন আমি ছিলাম ফাঁকিবাজ ছাত্র।
ছোট্টবেলার সম্মানিত শিক্ষয়িত্রী তাহমিনা আপা (ছবির সর্ব বামে), সেলিনা আপা, শ্রদ্ধেয় সফুরা আপা (আমার বাঁয়ে) আর সেনসেশনাল সূপর্না রায় আপার সাক্ষাৎ পেলাম। ভয়ে ভয়ে সালাম করতে গিয়েছি, আনন্দের দিন ছিল সেদিন। উনারা আমাকে পরম স্নেহে সন্তানের মত কাছে টেনে নিলেন। অনেক আনন্দ আবেগে আপ্লুত হয়েছি মনে মনে। মায়াবতী আপাদের সুস্বাস্থ্য আর দীর্ঘায়ু কামনা করি। তাহমিনা আপা আমার ছেলেদেরও শিক্ষিকা ওয়াই ডব্লিউ সি এ স্কুল ঢাকা গ্রীনরোডের। অনেক সময় নষ্ট করতে করতে অনাসৃষ্টি তৈরী হয়েছে। এবার যাবোই মহামান্য শিক্ষকদের দরজায় দরজায়, আবার যাবো দোয়া নিতে। নিশ্চয়ই উনাদের দোয়া আমাদের জীবন চলার পথের মূল্যবান পাথেয়।
ভালবাসা অবিরাম...

Photo
Photo


Comments